রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক, তাই ডায়াবেটিস সচেতনদের জন্য উপকারী। উচ্চ খাদ্য আঁশ সমৃদ্ধ হওয়ায় হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক। গ্লুটেন-ফ্রি হওয়ায় গ্লুটেন সংবেদনশীল ব্যক্তিদের জন্য উপযোগী। প্রাকৃতিক ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎস। শিশুদের সুস্থ বৃদ্ধি ও বিকাশে সহায়ক পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।
কাউন চাল দিয়ে সহজেই তৈরি করতে পারেন—
ভাত খিচুড়ি পায়েস দুধে রান্না করা খাবার পিঠা ও বিভিন্ন স্বাস্থ্যকর রেসিপি
তবে কাউন চালের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং মজাদার রেসিপি হচ্ছে পায়েস।